ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ছোট কামারকুণ্ড গ্রামে মনিকা খাতুন (১৯) নামে দুই সন্তানের এক জননীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনো জানা যায়নি।
নিহত মনিকা খাতুন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট কামারকুণ্ড গ্রামের মতিয়ার রহমানের মেয়ে। তার স্বামী হাটগোপালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে নিশান। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন মনিকা। বুধবার দুপুর ২টার দিকে তিনি গলায় ফাঁস দেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের বাবা মতিয়ার রহমান জানান, বুধবার সকালে মেয়ে তার খোঁজখবর নেন। পরে তিনি মাঠে গেলে মেয়ের আত্মহত্যার খবর পান। কী কারণে তার মেয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা পরিবারের কেউ বুঝতে পারছেন না। তবে তার মেয়ে কিছুটা রাগী স্বভাবের ছিলেন বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মনিকা খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনো জানা যায়নি।
নিহত মনিকা খাতুন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট কামারকুণ্ড গ্রামের মতিয়ার রহমানের মেয়ে। তার স্বামী হাটগোপালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে নিশান। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন মনিকা। বুধবার দুপুর ২টার দিকে তিনি গলায় ফাঁস দেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের বাবা মতিয়ার রহমান জানান, বুধবার সকালে মেয়ে তার খোঁজখবর নেন। পরে তিনি মাঠে গেলে মেয়ের আত্মহত্যার খবর পান। কী কারণে তার মেয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা পরিবারের কেউ বুঝতে পারছেন না। তবে তার মেয়ে কিছুটা রাগী স্বভাবের ছিলেন বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মনিকা খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক